• মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২

দেশের সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেয়ার আহবান

প্রিয় প্রতিবেদন:

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস। করোনা পরবর্তী পর্যটন খাতকে আরও গতিশীল করতেগ্রামীণ উন্নয়নে পর্যটনশিরোনামে এবারে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ১৯৮০ সাল থেকে জাতিসংঘের সব সদস্য দেশে এটি পালিত হয়ে আসছে। দিবসটির প্রধান উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে সেতুবন্ধন গড়ে তোলা। ছাড়া পর্যটনের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিকরাজনৈতিক অর্থনৈতিক উপযোগিতাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া দিবসের অন্যতম লক্ষ্য। আসছে পর্যটন মৌসুমে দেশী বিদেশী পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন পর্যটন মন্ত্রণালয়।

করোনার ধাক্কা সামলে এখনও স্বাভাবিক হতে পারেনি দেশের পর্যটন শিল্প। মাসের বন্ধে সাময়িক বেকার হয় খাতের প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী। আর আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১৪ হাজার ৭শকোটি টাকা। করোনা পরবর্তী নতুন স্বাভাবিক জীবনে দেশের সব পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হলে খাতের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া সম্ভব বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবির মতই সুন্দর ষড় ঋতুর এই দেশ। এখানে আছে হাজার বছরের ঐতিহাসিক নিদর্শন ময়নামতি, পাহাড়পুর, সোমপুরসহ বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহার। আছে মহাস্থানগড়, পানাম নগরসহ বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। নদ-নদী, পাহাড়, হাওড়-বাওড়, সাগরের সৌন্দর্যও মন কাড়ে পর্যটকদের। এসব মিলিয়ে প্রায় ১৭শপর্যটন কেন্দ্র বছরজুড়েই দেশি-বিদেশী পর্যটকের পদচারণায় মূখর থাকে।

জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান চার শতাংশের উপরে। গত বছর খাত থেকে আসে ৭৭ হাজার ৩শকোটি টাকা।

করোনাকালে ছয় মাস পর্যটন কেন্দ্রগুলো শতভাগ বন্ধ থাকায় সাময়িক বেকার চাকরি হারিয়েছেন অনেকে। সাময়িক বেকার ৪০ লাখ, চাকরি হারিয়েছে লাখ শ্রমিক-কর্মচারী। আর খাতের লোকসান ১৪ হাজার ৭শকোটি টাকা।  পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে নানা উদ্যোগের কথা জানালেন পর্যটন বোর্ডের এই সদস্য।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক . এম বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, আমাদের দরকার হলো একটা সমন্বিত উদ্যোগ। যেটা ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে পর্যটন বোর্ড, পর্যটন কর্পোরেশন এবং মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একত্রে কাজ করে যাচ্ছে। খাতে আরও নজর দেয়া হলে ডলার-ইউরোর আয় আরও বাড়তো বলেও মনে করেন তিনি।

অধ্যাপক . এম বদরুজ্জামান ভূঁইয়া আরও বলেন, সরকার তিনটা এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম করছে, নাফ ট্যুরিজম পার্ক, সাবরং ট্যুরিজম পার্ক এবং সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক। এটা যদি বাস্তবায়িত হয় তাহলে বিদেশী পর্যটকরা এখানে ভিড় জমাবে। আর এর মাধ্যমে আগামী ৩০ সালে আমাদের যে লক্ষ্যমাত্রা ৩০ লাখ বিদেশী পর্যটকের, সেই টার্গেট ফুলফিল করতে পারবো। শুধু আয় বৃদ্ধিই নয় খাতে আরও বহু মানুষের কর্মসংস্থানও সম্ভব।

Share :